শিক্ষা

ভালো ছাত্র হওয়ার সহজ উপায় গুলো যেনে নি!

শ্রেণিকক্ষে ক্লাস চলাকালে আমরা প্রায়ই অমনোযোগী হয়ে পড়ি। মাঝে মাঝে ঘুমও পায়। কখনো কখনো শিক্ষকের কথা শুনতে পাই না। ফলে শিক্ষক কী পড়াচ্ছেন তা আর আমাদের বোধগম্য হয় না।

অনেক সময় অর্ধেক বুঝতে পারলেও বাকি অর্ধেক বোঝার ইচ্ছা থাকে না। আর যদি পুরোটাই অমনোযোগী থাকি তাহলে তো কথাই নেই। পরীক্ষার আগ পর্যন্ত বইগুলো বাজারেই থেকে থেকে যায় যেন। আমার কথাগুলো নিশ্চয়ই অনেকের সঙ্গেই মিলে যাচ্ছে।

যেহেতু শ্রেণিকক্ষে আমরা মনোযোগ দিতে পারছি না, তাই বাসায় গিয়ে পড়তে বসে বা পরীক্ষার আগে সেগুলোকে নতুন মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। আর তখন পড়াগুলো আবার নিজে নিজে পড়তে হয়। নিজে নিজেই যদি সবকিছু পড়া যেত তাহলে কখনোই বিদ্যালয়ে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ত না। বাজার থেকে বই কিনে নিয়ে সরাসরি পরীক্ষায় বসে যাওয়ার পদ্ধতি থাকত

আবার যেহেতু শিক্ষকের কথায় মনোযোগ দিতে পারছি না, নিজে পড়েও কিছু বুঝতে পারছি না, সেহেতু আমরা হয় তখন বই মুখস্থ করছি না হয় দ্বারস্থ হচ্ছি দ্বিতীয় বিদ্যালয়—কোচিং সেন্টার বা বহু ছাত্রবিশিষ্ট প্রাইভেট সেন্টারের। মুখস্থ বিদ্যার কুফল নিয়ে নাই বা বললাম। আসি কোচিং সেন্টারের কথায়।

আমি বিশ্বাস করি, প্রত্যেকের মেধা সমান। প্রত্যেকেই যোগ্যতা রাখে তথাকথিত ভালো ছাত্র হওয়ার। তাহলে এর সমাধান কি?
বিভিন্ন ধরনের বিদ্যালয়ের যে ধাপগুলো এখানে বললাম তার পেছনের অনেকগুলো কারণের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে অমনোযোগিতা।

মনোযোগ বাড়ানোর একমাত্র উপায় হচ্ছে তাই সামনের সারিতে বসা। বিশ্বাস হচ্ছে না? একদিন বসে দেখো, টনিকের মতো কাজ করবে। বলতেই পারো, সবাই যদি প্রথমে বসতে চায় তাহলে জায়গা হবে কেমন করে?

তাদের জন্য বলছি, সবাই কি আমার কথাগুলো পড়বে? যদিও বা পড়ে, বিশ্বাস করবে? করবে না। তো, কাল থেকে প্রথম সারির প্রথম সিটটা তোমার। আজ যদি তুমি মাঝারি বা শেষের সারির ছাত্র হয়ে থাকো, কাল থেকে ভালো ছাত্রের তকমাটা অপেক্ষা করবে তোমার জন্য।

Back to top button